নরডিক ও চীনে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহবান

304
0

নরডিক ও চীনা রাষ্ট্রদূতগণের সাঙ্গে টিপু মুন্শি’র বৈঠক

বাণিজমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশ শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশে এখন একের পর এক গ্রীন ফ্যাক্টরি চালু হচ্ছে। পৃথিবীর বড় কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি এখন বাংলাদেশে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা এখন কর্মবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করছে। সকল ফ্যাক্টরিতে বিল্ডিং সেফটি, ফায়ার সেফটিসহ সকল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের জন্য উপযুক্ত মজুরি নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকগণ সকলপ্রকার শ্রম অধিকার ভোগ করছে। ইপিজেড-এ শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কারখানায় কাজ করছে। শ্রমিকদের অধিকার, মজুরি এবং উন্নত কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সবসময় আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আজ (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরডিক রাষ্ট্রদূতগণ অর্থাৎ সুইডেনের রাষ্ট্রদূত Ms. Charlotta Schlyter, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত Ms. Sidsel Bleken ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত Ms. Winnie Estrup Petersen সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূতগন বাণিজ্যমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশে তৈরী পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপদ কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে। শ্রমিকদের কল্যাণে আরো কিছু করার সুযোগ আছে। ইউরোপিয়ন ইউনিয়নসহ নরডিক রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশকে বাণিজ্য সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব(রপ্তানি) তপন কান্তি ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর ঢাকায় চীনের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সাথে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর কার্যারয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র এবং বড় ব্যবসায়িক অংশিদার। চীনের সাথে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বেড়েই চলছে। বাংলাদেশ চীনের আরো বেশি বিনিয়োগ আশা করে এবং আরো বেশি রপ্তানি সুবিধা প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদনের খরচ কম। চীন বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন করে সারা বিশে^ রপ্তানি করতে পারে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য চায়নার ভিসা সহজ করলে উভয় দেশের বাণিজ্য আরো বৃদ্ধি পাবে।