জলবায়ু সমস্যা মোকাবেলায় প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হবে

275
0

জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় সমস্ত পৃথিবীর পক্ষগুলো নিজ নিজ অবস্থানে থেকে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এ সংকটের মীমাংসার দিকে কিছুটা এগিয়েছে। এর সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সমস্যা, এই সমস্যা মোকাবেলায় আমাদের প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হবে, সেই সঙ্গে নিজেদেরর সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত, উন্নয়নশীল এবং দরীদ্র দেশগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানির ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেটচেঞ্জ ইন বাংলাদেশ (এনসিসি’বি)’, সিসিডিবি, সিডিপি এবং সিপিআরডি আয়োজিত “কপ-২৫: বাস্তবতা, প্রত্যাশা এবং আমাদের আগামী দিনের করনীয়” শীর্ষক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা এসব কথা বলেন।

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন (কপ-২৫) সমাপ্তির পর নাগরিক সমাজের প্রাপ্তি আর প্রত্যাশার জায়গাগুলোকে তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। “এনসিসি’বি”র কর্মী সরকার আল ইমরানের উপস্থাপনায় সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট এর নির্বাহী প্রধান আমিনুর রসুল বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ‘এনসিসি’বি’র রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি অফিসার, মাহবুবুর রহমান অপু।

লিখিত বক্তব্যে মাহবুবুর রহমান বলেন, এ বছরের জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অর্থাৎ কপ-২৫ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সব আকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। আমরা এ বছর কপ সম্মেলন শুরু হবার প্রাক্কালে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট দাবী জানিয়েছিলাম যার মধ্যে ‘প্যারিস চুক্তির’ আওতায় ‘আর্টিকেল ৬’ এর দ্রæত বাস্তবায়নসহ ক্ষতিপূরণের বিষয়ে একটি ঐকমতে পৌঁছান। এ সব দাবীর কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে, আবার কিছু হয়নি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমিনুর রসুল বাবুল বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কবলে পরছে এবং এই সব ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতে সবার আগে আমাদের নিজেদের সচেতনতা এবং নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে না আসলে কোনও উদ্যোগই সফল করা সম্ভব হবে না। আরেক প্রশ্নের জবাবে আমিনুর রসুল বলেন সরকারের জ্বালানি নীতির ফলে আমরা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে সৌরশক্তি হতে পারে নির্ভরযোগ্য বিকল্প জ্বালানি, যা ইতিমধ্যেই প্রযুক্তিগতভাবে ইতিবাচক অগ্রগতি করেছে। এর বাইরে বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ সহ বিকল্প শক্তির ব্যবহারও বাড়াতে হবে।