চট্টগ্রামে ওয়াটারবাস সার্ভিস পরিদর্শনে বিজিএমইএ

300
0

চট্টগ্রাম শহরের ট্রাফিক যানজট নিরসনে ‘কর্নফুলী নদীতে ওয়াটার বাস সার্ভিস’ শীর্ষক একটি অত্যন্ত যুগপযোগি নতুন প্রকল্প চালু হয়েছে। যা চট্টগ্রামের মানুষের জীবনধারাকে সহজ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে। প্রকল্পটি চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লি: এবং এস এস ট্রেডিং যৌথ ভাবে পরিচালনা করবেন। দ্রুতগতির এ ওয়াটার বাস সার্ভিস পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস্ এ্যান্ড এক্রর্পোটারস্ এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর একটি প্রতিনিধি দল।

সম্প্রতি কর্নফুলি নদীতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দ্রুতগতি সম্পন্ন ওয়াটারবাস সার্ভিস পরিদর্শনে বিজিএমইএ’র ২৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সহ-সভাপতি এ.এম চৌধুরী সেলিম, পরিচালকদের মধ্যে খন্দকার বেলায়েত হোসেন, মোহাম্মদ আতিক, এনামুল আজিজ চৌধুরী, প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতি নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন পরিচালক এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, লিয়াকত আলী চৌধুরী, সাইফ উল্লাহ্ মুনসুর, বিজিএমইএ’র সদস্য মোহাম্মদ তসলিম, আরশাদুর রহমান, মোহাম্মদ আজম, ওয়াদুদ মোহাম্মদ চৌধুরী, মোরশেদ কাদের চৌধুরী, কাজী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মিঠু, মোহাম্মদ ইসাসহ বিজিএমইএ’র উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

এছাড়া আরো ছিলেন, এপ্রোচ গ্লোবাল লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহেলা আবেদিন এবং এস এস ট্রেডিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: সাব্বাব হোসেন।

ওয়াটারবাস কর্তৃপক্ষ বিজিএমইএ’র পরিচালকদের নতুন উদ্ভাবনী ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস প্রকল্পটি পরিদর্শন করার জন্য আমন্ত্রন জানান। পরিদর্শন শেষে টার্মিনাল থেকে ওয়াটারবাস যোগে সন্ধ্যা ৬ টায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে ৬টা ২০ মিনিটে পতেঙ্গা ওয়াটারবাস টার্মিনালে পৌছান এবং সেখান থেকে ৩ মিনিটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সাটলবাস যোগে বিমান বন্দর পৌছায় এতে সর্বমোট ২৫ মিনিটে তারা চট্টগ্রাম বিমান বিন্দরে পৌছান, এত অল্প সময়ে বিমান বন্দরে পৌছে তারা আনন্দিত এবং বিস্মিত হন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম এ সময় বলেন, একটি আন্তর্জাতিক মানের সার্ভিস এটি, যা আমরা বিদেশে দেখতে পাই এবং এই প্রকল্পটি মানুষের জীবনের গতিকে আর বাড়িয়ে দিবে। প্রকল্পটিকে সব ধরনের সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, প্রতিদিন গড়ে ৮০০০ যাত্রী চট্রগ্রাম হযরত শাহ্ আমানত আন্তজার্তিক বিমান বন্দরে আসা-যাওয়া করেন। যাত্রীদেরকে প্রচন্ড যানযট উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম শহর থেকে বিমান বন্দর যাতায়াত করতে হয়। শিগগিরই চট্টগ্রামের টাইগার পাস থেকে বিমান বন্দর পর্যন্ত ফ্লাইওভার ও এক্সপ্রেসওয়ের কাজও আরম্ভ হবে। এতে ধারনা করা যাচ্ছে যানযটের পরিমান আরও বাড়বে। এই যানজটের সমস্যা সমাধানের লক্ষে এবং যাত্রীদেকে নিরাপদে ৩০ মিনিটের মধ্যে বিমান বন্দরে পৌছে দেয়ার জন্য এ বিকল্প ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এই ওয়াটার বাস চালু হলে চট্রগ্রাম শহরের উত্তর ও দক্ষিনের ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতি এবং কর্মচাঞ্চল্য বাড়বে।

এছাড়া সদরঘাটে একটি অত্যাধুনিক শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত দ্বিতল টার্মিনাল ভবন নির্মান করা হয়েছে যেখানে যাত্রীদের জন্য ওয়েটিং লাউঞ্জের ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীরা তাদের লাগেজ কাউন্টারে জমা দিলে ওয়াটারবাস কর্তপক্ষ নিজ দায়িত্বে তাদের লাগেজ চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এবং বিমান বন্দর থেকে সদরঘাট পৌছে দিবেন। প্রকল্পটি অতি শীঘ্রই চালু হবে বলে কতৃপক্ষ জানিয়েছেন।