অনিয়ম মৃত-প্রবাসিদেরও ভোট দেয়ার অভিযোগ

342
0

ইউনানী বোর্ডে সদস্য নির্বাচন জালিয়াতি অনিয়ম

বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সদস্য নির্বাচন ২০২০ এর নির্বাচনে দুর্নীতি-জালিয়াতি এমনকি মৃত ব্যক্তি ও প্রবাসীদের ভোট নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দরা। গতকাল দুপুরে সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে সাত বিভাগের ১২জন প্রার্থীর পক্ষে কবিরাজ মোস্তফা নওশাদ জাকী লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ তোলা হয় সংবাদ সম্মেলনে, হাকীম আব্দুল হাই, হাকীম আক্তার হোসেন, হাকীম মিয়া ফয়েজ, হাকীম রেজাউল করিমসহ বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্টার অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তাদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছিল। ওই তালিকার ভিত্তিতে তাদেরকে বাতিল করা হয়েছে। আর একাধিক ভোটার যেগুলো ছিল, তাদের দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি রেখে অন্যটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর রেজিষ্ট্রার্ড ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ভোটে নির্বাচিত হয়। প্রতি বিভাগ থেকে একজন ইউনানী ও একজন আয়ুর্বেদিক সদস্য নির্বাচিত হয়্।
ভোটারদের কাছে ফেরত খামসহ ডাক যোগে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পচ্ছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে থাকেন। যা গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে। আর ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোট গননা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে ব্যালট পেপার পৌছানো এবং ব্যালট পেপারটি ফিরতি খামে বোর্ডে পৌছানো শতভাগ সম্ভব হয়নি।
তার কারণ ২৫ তারিখের পরও অনেক ভোটার ব্যালট পেপার পায়নি। আবার ২৪ তারিখের আগে অনেকে পেলেও তাদের ব্যালটসহ ফিরতি খাম নির্ধাধিত সময়ে পৌছেনি। আবার ভোট গননায় অস্বচ্ছতার মধ্যে বোর্ডে সিসি ক্যামেলা থাকলেও যেখানো গণনা করা হয়েছে সেখানে সিসি ক্যামেরা ছিল না।
আবার ভ্যালট পেপার বোর্ডের কোন কর্মচারী বা কোন কর্মকর্তা রিসিভ করেছেন বা ভোট বাক্সে খামগুলো কে রেখেছেন তার কোন স্পষ্ট উল্লেখ নেই। আবার অনেক এলাকায় মৃত ব্যক্তিকে ভোটার দেখানো হয়েছে এবং ভোট সংগ্রহ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদেশে অবস্থানকারী অনেকের ভোট দেশের ঠিকানা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। যা জালিয়াতি ও অনিয়ম।
তার প্রমান হিসেবে হাকীম মোঃ নুরু মুত্তাকিন আমেরিকা প্রবাসি হলেও তার ভোট কাস্ট করা হয়েছে। আর হাকীম কাওসার আহমদ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসে থাকলেও তার ভোট কাস্ট করা হয়েছে। আবার ৮জন মৃত ব্যক্তির ভোট কাস্ট করা হয়েছে।